প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়

২০০৯ ২০১০ সালের কার্যক্রম

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

ক্রমিক নং

রূপকল্প-২০২১ বাস্তবায়নে গৃহীত পদক্ষেপ

অর্জিত সাফল্য

সীমাবদ্ধতা

(যদি থাকে)

সীমাবদ্ধতা উত্তরণে গৃহীত পদক্ষেপ ও সর্বশেষ পরিস্থিতি

মন্তব্য

১।

আভিযানিক কার্যক্রম সমূহ

 

ক। অপারেশন পূর্ব প্রাচীর। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি পদাতিক ব্যাটালিয়ন গ্রুপ গত ১৩ এপ্রিল ২০০৯ হতে সাধারণ এলাকা রামুতে দেশের পূর্ব দিক হতে সৃষ্ট নিরাপত্তা হুমকি মোকাবেলার জন্য মোতায়েন রাখা হয়। পরবর্তীতে ১৫ অক্টোবর ২০০৯ তারিখে অবনতিশীল পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য একই এলাকায় ব্যাটালিয়ন গ্রুপের পরিবর্তে একটি পদাতিক ব্রিগেড গ্রুপ মোতায়েন করা হয় ।

 

খ। হাইতিতে সংঘটিত ভূমিকম্প পরবর্তী চিকিৎসা সহায়তা দল প্রেরণ।  গত ১২ জানুয়ারি ২০১০ তারিখে হাইতির রাজধানী পোর্ট অব প্রিন্সে সংঘটিত ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্থ লোকজনের চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য বাংলাদেশ হতে প্রেরিত সামরিক ও বেসামরিক ৩০ সদস্যের চিকিৎসা সহায়তা দলের মধ্যে ২০ জন সেনাসদস্য প্রেরণ করা হয় । উক্ত চিকিৎসা সহায়তা দল ২৯ জানুয়ারি ২০১০ তারিখে হাইতির উদ্দেশ্যে গমন করে এবং চিকিৎসা সেবা শেষে ০৬ মার্চ ২০১০ তারিখে বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করে ।

 

 

দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করেছে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আর্ন্তজাতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় জাতিসংঘের পতাকাতলে মানবিক কার্যক্রম পরিচালনায় অংশগ্রহন অব্যাহত  রেখেছে।

 

-

 

 

 

 

-

 

-

 

 

 

 

-

 

 

২।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রম

 

ঘ।   মিশন এলাকায় নতুন কন্টিনজেন্ট মোতায়েন।       

 

(১)        ৪ ই বেংগল ব্যানব্যাট-৮ (৮৫০ জনবল) মনুসকো (MONUSCO),            কঙ্গোতে গত ০৯ অক্টোবর ২০০৯ তারিখে মোতায়েন করা হয়।

 

(২)        ব্যানইঞ্জিনিয়ার-১ (১৮০ জনবল) মনুসকো (MONUSCO), কঙ্গোতে      

             গত জানুয়ারি ২০১০ তারিখে মোতায়েন করা হয় ।

 

(৩)        ব্যানব্যাট, আনমিস (Engr) সুদানে অতিরিক্ত ১৭৫ জনবল গত      ১০            ফেব্রুয়ারি ২০১০ তারিখে মোতায়েন করা হয় ।

(৪)        ব্যান এমপি (ফোর্স এমপি) মনুসকো (MONUSCO) কঙ্গোতে

             অতিরিক্ত ২০ জনবল গত জুন ২০১০ তারিখে মোতায়েন হয় ।

(৫)        ব্যানমেড-১ (২০ জনবল) মিনোরসো (MINURSO), ওয়েষ্টার্ন সাহারায়

             অক্টোবর ২০১০ তারিখে মোতায়েন করা হয়।

(৬)        জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত ইউনিট সদস্যদের মাসিক ২০%

             অগ্রিম বাবদ বৈদেশিক ভাতা প্রতিমাসের স্থলে যাত্রার প্রাক্কালে ০৬ মাসের

             অগ্রিম একসাথে প্রদানের ক্ষেত্রে নীতিমালা সংযোজনের বিষয়টি বর্তমানে

             প্রতিরক্ষা/ অর্থ মন্ত্রনালয়ের প্রক্রিয়াধীন  রয়েছে ।

 

(৭)  বৈদেশিক মিশনে নিয়োজিত সেনাসদস্যদের জন্য পদবী ভিত্তিক ৩%,৪%,৫% হারে বৈদেশিক ভাতা বৃদ্ধি করণ, কমান্ডিং অফিসারগনের জন্য কমান্ড পে প্রদান এবং এএফএনএস অফিসারদের জন্য স্লাইডিং স্কেলে বৈদেশিক ভাতা নির্ধারনের বিষয়টি বর্তমানে প্রতিরক্ষা / অর্থ মন্ত্রনালয়ের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে ।

ঙ।  জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহনকারী সেনাসদস্যদের বসবাস এবং প্রশিক্ষণ/প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার সুবিধার্থে রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে ইউএন কমপ্লেক্স নির্মানাধীন রয়েছে । বর্ণিত ইউএন কমপ্লেক্স সম্পন্ন করতে সর্বমোট ২৮,১৭,০০,০০০.০০ (আটাশ কোটি সতের লক্ষ টাকা মাত্র) টাকার প্রয়োজন হবে। ২০০৯-২০১০ অর্থ বছরে ইউএন অপস কন্টিনজেন্সী খাত হতে ১ম ধাপে দেশীয় মুদ্রায় ৯,০০,০০,০০০.০০ (নয় কোটি টাকা মাত্র) টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। ২য় ধাপ বরাদ্দের জন্য চলতি অর্থ বছর আরো ৯,০০,০০,০০০.০০ (নয় কোটি টাকা মাত্র) টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে ।

 

চ।  বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের মাধ্যমে আন্তজার্তিক পরিমণ্ডলে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জল করেছে। উপরস্তু, বেদেশিক মুদ্রা আয়ের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও সেনাবাহিনী গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখছে। একই সাথে সেনাসদস্যগন পৃথিবীর উন্নত ও আধুনিক সেনাবাহিনীর সাথে কাজ করে উন্নত পেশাগত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জন করছেসরকার জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সেনাবাহিনীর অংশগ্রহন নিশ্চিত করার জন্য সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানে বদ্ধপরিকরএ লক্ষ্যে বিগত ও বর্তমান অর্থ বছরে ১৪০টি আর্মাড পার্সোন্যাল কেরিয়ার (১২০ x APC, ১০ x Amb & ১০ x ARV) ক্রয়ের জন্য সর্বমোট ৫১০.৯৫ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে যা Government to Government প্রক্রিয়ায় ক্রয় সম্পন্ন করা হচ্ছে । এছাড়াও মিশনে মোতায়েনের জন্য আনুমানিক ১৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে দুইটি হেলিকপ্টার ক্রয়ের বিষয়টি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে

ছ।  সেনাবাহিনীর ইএমই-র দক্ষ মেরামতকারী দলের সদস্যগণ গত ১৩ মে ২০০৯ হতে ১১ জুন ২০০৯ তারিখ পর্যন্ত আনমিল (Engr) ও আইভরিকোষ্ট, ১৭ আগষ্ট ২০০৯ হতে ৩০ আগষ্ট ২০০৯ তারিখ পর্যন্ত মোনাক (Engr) এবং ২৮ মার্চ ২০১০ হতে ০৭  এপ্রিল ২০১০ তারিখ পর্যন্ত ইউএন মিশন সুদান এলাকায় গমন করেমিশনে অবস্থিত বিভিন্ন কন্টিনজেন্টের ১২৬টি এপিসি, ১০টি এআরভি এবং ৭৮টি ’সি’ ভেহিক্যাল সরঞ্জামাদি সফলতার সাথে মেরামত কার্যক্রম সম্পন্ন করে

 

 

 

জাতিসংঘের আওতায় বিশ্ব শান্তি রক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহনের  পাশাপাশি দেশের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে ।

 

 

’’

 

’’

 

’’

 

 

প্রক্রিয়াধীন

 

 

 

প্রক্রিয়াধীন

 

 

 

 

 

 

চলমান

 

 

 

 

 

 

চলমান

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

নিজেদের প্রচেষ্টায় প্রতিরক্ষা সমরাসত্র মেরামত করায় দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আর্থিক সাশ্রয় হয়েছে ।

 

 

 

 

 

-

 

 

 

 

-

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

ক। এপিসি এবং হালকা যানবাহনসহ অন্যান্য সরঞ্জামাদি ক্রয় এবং মিশন এলাকায় মোতায়েন

খ।  বর্তমান আর্থ সামাজিক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে কন্টিনজেন্ট সদস্যদের বেতন ও ভাতা বৃদ্ধি এবং কন্টিন্টজেন্ট অধিনায়কদের জন্য কমাণ্ড পে এর প্রচলন

 

-

 

 

 

 

-

 

 

 

 

-

 

 

 

 

-

 

 

 

-

 

 

 

 

 

 

 

-

 

 

 

 

 

 

 

-

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 


 

৩।

অসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদান

 

*ক।       ঘূর্ণিঝড় ’আইলা’ গত ২৫ মে ২০০৯ ঘূর্ণিঝড় ’আইলা’ দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে আঘাত হানলে তৎক্ষনাৎ উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়মাসব্যাপী এ মোতায়েনে স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে সেনাসদস্যরা উদ্ধার, ঘুর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা, বিশুদ্ধ পানীয় জল সরবরাহ, চিকিৎসা প্রদান এবং ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম গ্রহন করেনসংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয় এ ব্যবস্থাপনার যাবতীয় ব্যয়ভার বহন করে ও সামগ্রিক সমন্বয় সাধন করেউদ্ধার ও ত্রান কার্য শেষ হওয়ার পরও একটি সেনাদল ১৩ সেপ্টেম্বর ২০০৯ পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড় ’আইলা’য় ক্ষতিগ্রস্থ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধ মেরামত/পুনঃনির্মান কাজ তদারকির জন্য মোতায়েন থাকে

 

**খ।     চট্রগ্রাম বন্দরের নিরাপত্তা প্রদান।     ১৯৯৯ সাল হতে চট্রগ্রাম বন্দরে নিরাপত্তা প্রদানের জন্য সেনাবাহিনী মোতায়েন রয়েছে

।  ঢাকা ওয়াসাকে সহায়তা প্রদান।   গত  ০৭ এপ্রিল ২০১০ হতে ৩০ জুন ২০১০ তারিখ পর্যন্ত ’ইন এইড টু দি সিভিল পাওয়ার’ এর আওতায় ঢাকা ওয়াসার বিভিন্ন পাম্প হাউজ ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা সমূহের নিরাপত্তা বিধান এবং ঢাকা মহানগরীতে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে ঢাকা ওয়াসার ১০টি জোন, এসওসি (SOC) এবং সায়েদাবাদ পানি শোধনাগারে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়

 

ঘ।   চট্রগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন-২০১০ ।  গত ১৭ জুন ২০১০ তারিখে চট্রগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন-২০১০ উপলক্ষ্যে নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভাবে অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে শান্তি শৃংখলা বজায় রাখার লক্ষ্যে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদানের জন্য ১৪ জুন ২০১০ হতে ১৮ জুন ২০১০ পর্যন্ত সেনা সহায়তা প্রদান করা হয়।

 

 

ঙ।  এসএ গেমস্ -২০১০ ।  ১১তম এসএ গেমস্ -২০১০ উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু জাতীয় ষ্টেডিয়ামের সংস্কার কার্যক্রম হিসেবে ভিআইপি গ্যালারী উন্নয়ন, ক্যালিসথেনিক শো এর জন্য ষ্টেজ নির্মাণ এবং এ্যাকুয়েটিক শো এর জন্য ষ্টেজ ও জলধারা নির্মাণসহ নানাবিধ কাজ সম্পন্ন করার উদ্দেশ্যে সেনা সহায়তা প্রদান করা হয়।

 

 

প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায়

দেশ ও দুর্গত জনগনের জান ও মাল রক্ষায় এবং পুনর্বাসন কাজে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছে

 

 

বন্দরের নিরাপত্তা এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থায় প্রভূত উন্নতি সাধিত হয়েছে ।

 

 

 

 

 

নিরাপত্তার পাশাপাশি জনগনের দুর্ভোগ লাঘবে নিজেদের নিবেদিত করেছে

 

 

 

 

 

আভ্যন্তরীন নিরাপত্তা রক্ষায় সফলতার সহিত বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করেছে ।

 

 

 

 

রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে বেসামরিক প্রশাসনকে সফলতার সহিত সহায়তা প্রদান করেছে ।

 

 

 

-

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

সেনাবাহিনীর পানি বিশুদ্ধকরণ সেট সমূহের ঢাকার দুষিত পানি বিশুদ্ধ করার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সেনাবাহিনীর কাছে লবনাক্ত পানি বা পানি বিশুদ্ধ করণ প্ল্যান এর ঘাটতি রয়েছে

 

 

-

 

 

 

 

 

 

 

 

-

 

 

 

 

-

 

 

 

* মতামত

 দুর্যোগ মোকাবেলা শেষে দুর্যোগ মোকাবেলার সাথে সংশ্লিষ্ট সংস্থা যেমন: সেনাবাহিনী, দুর্যোগ মোকাবেলা ব্যুরো, বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট অসামরিক প্রশাসনের সাথে কার্যক্রম পর্যালোচনা সভার প্রয়োজন বিশেষভাবে অনুভুত হয়েছে, যা পরবর্তীতে নিজেদের সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠা ও তড়িৎ কার্যপন্থা গ্রহণে সহায়তা করবে

** মতামত

বন্দরের দায়িত্ব ক্রমান্বয়ে Industrial Police এর উপর ন্যাস্ত করা যেতে   পারে

 

উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন

 

ক।  হযরত শাহজালাল (রাঃ) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য নির্মাণ কাজ।  হযরত শাহজালাল (রাঃ) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার কোরকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এছাড়াও, সেনাবাহিনী কর্তৃক বিমানবন্দর এলাকায় ভূমি সমতল করা ও অন্যান্য উন্নয়ন কাজের মাধ্যমে বিমান উঠানামাকে ঝুঁকিমুক্ত করতে সাহায্য করবে। এই প্রকল্পের কাজ ১৫ ডিসেম্বর ২০০৯ তারিখে শুরু হয়েছে এবং ২০১০ সালের মধ্যে শেষ হবে ।

 

 

বিমান বন্দর উন্নয়নে অংশ গ্রহন করতঃ দেশ ও জনগনের সার্বিক কল্যান সাধনে ভুমিকা পালন করা।

 

 

 

-

 

 

-

 


 

 

ত্র্রমিক নং

প্রতিবেদন

মন্তব্য

রুপকল্প ২০১১ বাস্তবায়নে গৃহীত পদক্ষেপ

অর্জিত সাফল্য

সীমাবদ্ধতা (যদি থাকে)

সীমাবদ্ধতা উত্তরণে গৃহীত পদক্ষেপ ও সর্বশেষ পরিস্থিতি

৫।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

৬।

সেবামূলক কার্যক্রম

 

ক। আশ্রায়ন প্রকল্প । প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে ’আশ্রায়ন প্রকল্প’ ভূমিহীন ও ছিন্নমুল জনগনকে স্বল্পমূল্যে প্রস্তুতকৃত বাসস্থান প্রদান করার মাধ্যমে পুনর্বাসন করে থাকে। সরকারকে এ কাজে সহায়তা করার জন্য সেনাবাহিনী আশ্রায়ন প্রকল্প কার্যালয় ও স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে খাস জমিতে ব্যারাক নির্মাণ করে থাকে। দেশের বিভিন্ন এলাকায় এই ব্যারাকগুলো আরসিসি পিলার ও টিন দিয়ে তৈরী করা হয়। প্রতিটি ব্যারাক ১০টি ভূমিহীন পরিবারকে পুনর্বাসনের জন্য প্রস্তুত করা হয়। সেনাবাহিনী ২০০২ সাল হতে এ পর্যন্ত সর্বমোট ৮৯৮৮টি ব্যারাক তৈরী করেছে যার মাধ্যমে ৮৯৮৮০টি পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে । গত এক বছরে এরুপ ৩৫০টি ব্যারাক নির্মান করা হয়েছে । উল্লেখ্য, আশ্রায়ন প্রকল্প-২ এর আওতায় আরও বেশী সংখ্যক  ভূমিহীন ও ছিন্নমুল জনগনকে পুনর্বাসন করার জন্য উন্নত নক্সার ভিত্তিতে ব্যারাক নির্মাণ কাজ শুরু হবে ।

 

পুর্নগঠন/আধুনিকায়ন । আর্থিক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও ক্রমান্বয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী  সাংগঠনিক অবকাঠামো, সরঞ্জামাদি এবং সার্বিক প্রেক্ষাপটে একটি সুনির্দিষ্ট অবস্থান অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় একটি অভিষ্ট লক্ষ্য ও ষ্ট্যান্ডার্ড নির্ধারণ পূর্বক সেনাবাহিনীর পূর্ণগঠন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে আগামী ২০৩০ সাল পর্যন্ত সেনাবাহিনীর ফোর্সেস গোল নির্ধারণের জন্য সেনাবাহিনীর বিদ্যমান সংগঠনের দূর্বলতাসমূহ চিহ্নিত করতঃ  দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার্থে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ কার্যকর সেনাবাহিনী গঠনের পদক্ষেপ  নেয়া হয়েছে ।

 

 দেশের ছিন্নমূল মানুষের ভাগ্যেন্নয়নে সেনাবাহিনীর নিঃস্বার্থ অংশগ্রহন ।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

সাফল্যের ধারা চলমান রয়েছে ।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

-

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

-

 

 

 

-

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

-

 

 

 


 

ত্র্রমিক নং

প্রতিবেদন

মন্তব্য

রুপকল্প ২০১১ বাস্তবায়নে গৃহীত পদক্ষেপ

অর্জিত সাফল্য

সীমাবদ্ধতা (যদি থাকে)

সীমাবদ্ধতা উত্তরণে গৃহীত পদক্ষেপ ও সর্বশেষ পরিস্থিতি

৭।

বাজেট সংক্রান্ত

 

ক।         বিগত ২০০৯-২০১০ অর্থ বছরের বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অনুকুলে ৪৮৩৮,৪৮,৮৯,০০০/- টাকার বাজেট বরাদ্দ দেয়া হয় । বরাদ্দকৃত অর্থের মধ্যে প্রায় সম্পুর্ন অর্থ ব্যয় হয়েছে। বাজেট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে গত অর্থ বছর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি অত্যন্ত সফল বছর । তুলনামূলক বিশ্লেষণের লক্ষ্যে বিগত তিন অর্থ বছরের বাজেট বরাদ্দ, ব্যয় এবং সমর্পণের পরিসংখ্যান নিম্নে দেয়া হলোঃ

 

অথ বছর

বাজেট বরাদ্দ 

ব্যয়

সমর্পন

২০০৭-২০০৮

৪০৬২,২৫,৭৪,০০০/-

৩৮৩৩,১৮,৪০,৭৪৯/-

২২৯,০৭,৩৩,২৫১/-

২০০৮-২০০৯

৪৩৩৮,১০,৩৯,০০০/-

৪১৪৬,৯৫,৫৬,১৪৭/-

১৯১,১৪,৮২,৮৫৩/-

২০০৯-২০১০

৪৮৩৮,৪৮,৮৯,০০০/-

৪৭৭৪,২২,৮৩,৪৪৩/-

৬৪,২৬,০৫,৫৫৭/-

 

খ।  উপর্যুক্ত পরিসংখ্যান উল্লেখিত সমর্পণের পরিমান হতে সহজেই অনুমেয় যে পুর্বের দুই অর্থ বছরের তুলনায় ২০০৯-২০১০ অর্থ বছরের বাজেট সমর্পনের পরিমান অত্যন্ত নগন্য। শতকরা বিচারে বাজেট বাস্তবায়ন প্রায় শতভাগ। যে পরিমান অর্থ অব্যয়িত/ সমর্পন করা হয়েছে তার ৯৬% অর্থই বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের অর্থ । এছাড়া অবশিষ্ট অর্থের মধ্যে ভ্যাট, ট্যাক্স, ইন্সুরেন্স এর টাকা অর্ন্তভূক্ত । ৬৮০০ (সম্পদ সংগ্রহ) কোডে ৬০১,৪১,৪৯,১২৩/- টাকা বাজেট বরাদ্দের বিপরীতে প্রায় সম্পূর্ণ অর্থই ব্যয় করা সম্ভব হয়েছে । এখানে উল্লেখ্য যে, বিগত অর্থ বছরে সেনাবাহিনীর জন্য এপিসি ক্রয়ের নিমিত্তে রাশিয়ার সাথে Govt to Govt চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে যা একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন। এছাড়া এমইএস (আর্মি) বাবদ বরাদ্দকৃত ৩৪৭,২৭,৬০,১২১/-টাকার (সেনাবাহিনীর বাজেট হতে ১২,৫৭,৪৯,১২১/- টাকা উপযোজনসহ) সম্পূর্ণ টাকাই খরচ হয়েছে । বর্তমান অর্থ বছরে বরাদ্দকৃত বাজেট পরিকল্পনা মোতাবেক বাস্তবায়নের কার্যক্রম চলছে।

 

গ।  উর্পযুক্ত পরিসংখ্যান এবং বক্তব্যের আলোকে বলা যায় যে, ২০০৯-২০১০  অর্থ বছর বাজেট বাস্তবায়নের দিক থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি সফল বছর এবং চলতি অর্থ বছরের এ যাবৎ বাজেট বাস্তবায়নের অগ্রগতি অত্যন্ত সন্তোষজনক ।

 

 

সেনাবাহিনীর সার্বিক কার্যক্রমের জন্য সরকার কর্তৃক বরাদ্দকৃত বাজেট সুষ্ঠু ও পরিকল্পনা মাফিক সফলভাবে  সম্পন্ন করা ।

 

 

 

-

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

-

 

 

 

 

 

 

 

 

 

-

 

 

-

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

-

 

 

 

 

 

 

 

 

 

-

 

 


 

ত্র্রমিক নং

প্রতিবেদন

মন্তব্য

রুপকল্প ২০১১ বাস্তবায়নে গৃহীত পদক্ষেপ

অর্জিত সাফল্য

সীমাবদ্ধতা (যদি থাকে)

সীমাবদ্ধতা উত্তরণে গৃহীত পদক্ষেপ ও সর্বশেষ পরিস্থিতি

৮।

ইনফরমেশন টেকনোলজি

 

ক। Pers Profile Mgt Sys সফ্টওয়্যার প্রস্তুত করণ   বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক Pers Profile Mgt Sys নামক একটি সফট্ওয়্যার প্রস্তুত করা হয় । যার মাধ্যমে সেনাবাহিনীর অফিসারগন অনলাইনে চাকুরী সংক্রান্ত ব্যক্তিগত নথিপত্র অর্ন্তভূক্ত ও হালনাগাদ করতে পারেন ।

 

 খ। আর্মি ওয়েব সাইটে নতুন লিংক সংযোজন।  সশস্ত্র বাহিনীর ইতিহাস বিষয়ক  ওয়েব সাইটে সংযোজনের নিমিত্তে ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধের সূচনাকাল পর্যন্ত বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত রাজনৈতিক ঘটনা প্রবাহের উপর উল্লেখযোগ্য সংবাদ সমূহের শিরোনামের সংকলন সংবাদপত্রে মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি- সংগ্রাম থেকে স্বাধীনতা’ শীর্ষক একটি প্রকল্প আইটি পরিদপ্তর কর্তৃক গ্রহণ করা হয়, যা এ বছর স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে উল্লেখিত ওয়েব সাইটে (www.history.mil.bd-publication-suppliment) সংযোজন করা হয় ।

 

গ। টেকনিক্যাল ষ্টোর ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত কম্পিউটারইজড প্রোগ্রাম এর মাধ্যমে ওয়ার্কশপের দৈনন্দিন কার্যক্রম আধুনিকায়ন, দ্রুত এবং সহজতর করার জন্য প্রত্যেকটি ওয়ার্কশপে ৫টি কম্পিউটারের মাধ্যমে LAN পদ্ধতি চালু করা হয়েছে ।

 

ঘ। সেন্ট্রাল মিলিটার ট্রান্সপোর্ট ডিপো (সিএমটিডি) কর্তৃক অত্যাধুনিক সফট্ওয়্যার উদ্ভাবনের মাধ্যমে (Stock Inventory and Provision Management System-SIPMS) সকল প্রকার যানবাহনের খুচরা যন্ত্রাংশের চাহিদা ইউনিটের নিকট হতে প্রাপ্তি থেকে শুরু করে ক্রয় কার্যক্রম স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে প্রচলনের ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। গৃহীত ব্যবস্থা সংশ্লিষ্ট সাবডেপো, অর্ডন্যান্স ডেপো, ইএমই ওয়ার্কশপ এবং ফরমেশন সদর দপ্তর পর্যন্ত WAN (Wide Area Network) এর মাধ্যমে বিস্তৃত করা হয়েছে । এর ফলে আদান প্রদান পদ্ধতিতে গতিশীলতা অর্জনসহ জনশক্তি এবং সময়ের অপচয় রোধ করা সম্ভব  হয়েছে। বর্তমান সরকারের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এটি একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ ।

ঘ। ডিজিটাল বাংলাদেশ’ এর উদ্দেশ্যকে সমুন্নত রেখে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কর্মরত  সকল অফিসারগণের সার্ভিস রেকর্ড, ডাটা এবং ক্যারিয়ার পরিকল্পনার সঠিক  এবং নির্ভুলভাবে সম্পাদনের জন্য উন্নততর এবং আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তি বাস্তবায়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করছে এবং বর্তমানে প্রায় সকল ডাটা ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংরক্ষন করা হচ্ছে । বর্ণিত কর্মকান্ডে অধিকতর সচ্ছতা এবং গতিশীলতা আনয়নে বর্তমানে প্রচলিত পদ্ধতি উন্নীতকরণ করা হচ্ছে ।

 

 

ডিজিটাল বাংলাদেশ        বাস্তবায়নে ক্রমান্বিত অগ্রগতি অর্জন করা ।

 

 

 

’’

 

 

 

 

 

 

’’

 

 

 

 

’’

 

 

 

 

 

 

 

 

’’

 

 

-

 

 

 

 

 

-

 

 

 

 

 

-

 

 

 

 

 

-

 

 

 

 

 

-

 

 

-

 

 

 

 

 

-

 

 

 

 

 

-

 

 

 

 

 

-

 

 

 

 

 

-

 

 

 

 

 

সীমিত

 

ক্রমিক

প্রতিবেদন

মন্তব্য

রুপকল্প ২০১১ বাস্তবায়নে গৃহীত পদক্ষেপ

অর্জিত সাফল্য

সীমাবদ্ধতা (যদি থাকে)

সীমাবদ্ধতা উত্তরণে গৃহীত পদক্ষেপ ও সর্বশেষ পরিস্থিতি

 

ঙ। সেনাবাহিনীতে কর্মরত সকল অফিসারদের ক্যারিয়ার পরিকল্পনায় সচ্ছতা এবং নির্ভুলতা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে সাম্প্রতিক সময়ে ডিজিটাল পদ্দতিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ওয়েব সাইটের মাধ্যমে অফিসারদের নিজস্ব Tabulated Record and Comparative Evaluation (TRACE) আপলোড করার কার্যক্রম ইতোমধ্যেই সাফল্যজনকভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে ।

ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে ক্রমান্বিত অগ্রগতি অর্জন করা ।

 

-

-

 

 

চ।  সরকারী ক্রয়ের ক্ষেত্রে পুর্ব নির্ধারিত এবং আন্তর্জাতিক ভাবে গ্রহণযোগ্য মানের বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী আইসিটি যন্ত্রপাতি ক্রয়ের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

’’

-

-

 

 

ছ। আর্মি ওয়ান প্রজেক্ট এর আওতায় সেনাবাহিনীর সকল ইউনিট সমুহকে সংযুক্ত করার কার্যক্রম চালু রয়েছে।

’’

-

-

 

 

জ। এম এস শাখা ল্যান প্রকল্পের আওতায় সেনাসদর সামরিক সচিবের শাখাকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের অন্তর্ভুক্ত করার কার্যক্রম চালু রয়েছে। তাছাড়াও উক্ত প্রকল্পের আওতায় এমএস শাখা এবং সেন্ট্রাল অফিসার্স রেকর্ড অফিসে অফিসারদের চাকুরী সংক্রান্ত বিশদ তথ্যবলী সংরক্ষণ করা হচ্ছে ।

’’

-

-

 

 

ঝ। সেনাসদর ল্যান বর্ধিত করণ প্রকল্পের আওতায় ঢাকা সেনানিবাসের ৩৫টি ইউনিটকে সেনাসদর ল্যানের সাথে সংযুক্ত করার কার্যক্রম চালু করা হয়েছে ।

’’

-

-

 

 

ঞ। সিএমএইচ অটোমেশন প্রকল্পের আওতায় সিএমএইচ, ঢাকায় অটোমেশন কার্যক্রম চালু হয়েছে ।

’’

-

-

 

 

ট। রেকর্ডস অটোমেশন প্রকল্পের আওতায়  সকল রেকর্ডসকে একই Platform এ এনে সামঞ্জস্যতা রক্ষা করা ও সেই সাথে পিএ পরিদপ্তর কর্তৃক সকল রেকর্ডের যাবতীয় অথ্যবলীর উপর দৃষ্টি রাখা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সেনাসদর থেকে সহায়তা প্রদান করা।

’’

-

-

 

 

ঠ। এফসি (আর্মি) পে-১ অটেমেশনের মাধ্যমে অফিসারদের বেতন সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্যাদি প্রস্তুত করা এবং দেখার কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়েছে ।

’’

-

-

 

 

ড। এমআই পরিদপ্তরের জন্য ডাটাবেজ প্রকল্পের আওতায় পার্সোনাল প্রোফাইল মেনেজমেন্ট সিষ্টেম কার্যক্রম চালুর উদ্যেগ গ্রহণ করা হয়েছে ।

’’

-

-

 

 

ঢ। ওরাকল কোলাবরেশন স্যুট প্রকল্পের আওতায় আন্তঃ অফিস মেইল যোগাযোগ সিষ্টেম গ্রহনের উদ্যেগ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে ।

’’

-

-

 

 


 

 

ক্রমিক

প্রতিবেদন

মন্তব্য

রুপকল্প ২০১১ বাস্তবায়নে গৃহীত পদক্ষেপ

অর্জিত সাফল্য

সীমাবদ্ধতা (যদি থাকে)

সীমাবদ্ধতা উত্তরণে গৃহীত পদক্ষেপ ও সর্বশেষ পরিস্থিতি

৯।

 

গ।  বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আওতায় শিক্ষা খাতে উন্নয়নমুলক কার্যক্রম (এডিপিভুক্ত) সম্পর্কিত তথ্য নিম্নরুপঃ

(১) মোট ২৪৭০.০০ লক্ষ টাকায় অনুমোদিত ‘‘ফেনীতে একটি গার্লস ক্যাডেট কলেজ স্থাপন (২য় পর্যায়)’’ শীর্ষক প্রকল্পের কাজ ডিসেম্বর ২০০৯ মাসে সম্পন্ন হয়েছে। 

(২) মোট ৩০৭১.৭০ লক্ষ টাকায় অনুমোদিত ‘‘মিরপুর সেনানিবাসে মিলিটারী ইনষ্টিটিউট অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজী (এমআইএসটি) এর জন্য অবকাঠামো নির্মাণ (২য় পর্যায়)’’ শীর্ষক প্রকল্পের কাজ জুন ২০১০ মাসে সম্পন্ন হয়েছে। 

(৩) মোট ২০০০.০০ লক্ষ টাকায় অনুমোদিত ‘‘বাংলাদেশ নৌবাহিনী চট্টগ্রাম ও খুলনায় বিএন স্কুল ও কলেজের জন্য আনুষঙ্গিক কাজসহ একাডেমিক ভবন(৫তলার ভিত্তিসহ ৪তলা) নির্মাণ’’ শীর্ষক প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।

(৪) মোট ৩৬০০.০০ লক্ষ টাকায় অনুমোদিত ‘‘বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি শমসেরনগর, মৌলভীবাজার এবং পাহাড়কাঞ্চনপুর, টাংগাইলে বিএএফ শাহীন স্কুল ও কলেজ স্থাপন’’ শীর্ষক প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।

(৫) মোট ৮০৫৭.০০ লক্ষ টাকায় অনুমোদিত ‘‘মিরপুর সেনানিবাসে সামরিক বাহিনী কমান্ড এন্ড ষ্টাফ কলেজ (ডিএসসিএসসি) এর অবকাঠামোগত সুবিধা সম্প্রসারণ’’ শীর্ষক প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।

(৬) মোট ৪৫৯৩.০০ লক্ষ টাকায় অনুমোদিত ‘‘মিরপুর সেনানিবাসে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনাল্স (বিইউপি) স্থাপন’’ শীর্ষক প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।

(৭) মোট ৬৮৮২.০০ লক্ষ টাকায় অনুমোদিত ‘‘মিরপুর সেনানিবাসে ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ (এনডিসি) এর জন্য আনুষংঙ্গিক কাজসহ বাসস্থান নির্মাণ’’ শীর্ষক প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।

 

(৮) মোট ৪৭৭৩.০০ লক্ষ টাকায় অনুমোদিত ‘‘ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এ্যাট হালিশহর (চট্টগ্রাম) এ্যান্ড ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এ্যাট রাজশাহী’’ শীর্ষক প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।

 

(৯) মোট ২০৮০.০০ লক্ষ টাকায় অনুমোদিত ‘‘ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভলপমেন্ট অব ইন্টার সার্ভিসেস সিলেকশন বোর্ড (আইএসএসবি)’’ শীর্ষক প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।

 

(১০) মোট ২৫২৭৫.৭১ লক্ষ টাকায় অনুমোদিত ‘‘বিএমএ বঙ্গবন্ধু কমপ্লেক্স নির্মাণ, ভাটিয়ারী, চট্টগ্রাম’’ শীর্ষক প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।

 

(১১) মোট ১৩৭০.০০ লক্ষ টাকায় অনুমোদিত নৌবাহিনী স্কুল ও কলেজের একাডেমিক ভবন নির্মাণ, মংলা, বাগের হাট’’ শীর্ষক প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।

 

 

 

১০০%

 

১০০%

 

 

৫২.৫১%

 

 

২৮.৯৮%

 

 

৫%

 

 

১৬.৫৩%

 

 

৯%

 

 

 

%

 

 

০%

 

 

 

০%

 

০%

 

 

          -

-

 

 

 

প্রকল্পটির আন্তঃখাত সমন্বয়/সংশোধিত ডিপিপি অনুমোদনের প্রয়োজন হবে।

 

প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধির ফলে সংশোধিত ডিপিপি অনুমোদনের প্রয়োজন রয়েছে।

 

 

 

 

-

 

 

 

-

 

 

-

 

 

 

-

 

 

-

 

 

প্রকল্পটির আন্তঃখাত সমন্বয়/সংশোধিত ডিপিপি প্রস্তুতের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

সংশোধিত ডিপিপি অনুমোদনের জন্য পূর্ত পরিদপ্তর কর্তৃক কারিগরি পরীক্ষান্তে বিমান সদর দপ্তর বরাবরে প্রেরণ করা হয়েছে।

-

 

 

 

 

অবকাঠামো নির্মাণের ফলে সেনাবাহিনীর শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম উন্নয়নে অবদান রাখবে ।

 

-

 

 

 

ক্রমিক

প্রতিবেদন

মমতব্য

রুপকল্প ২০১১ বাস্তবায়নে গৃহীত পদক্ষেপ

অর্জিত সাফল্য

সীমাবদ্ধতা (যদি থাকে)

সীমাবদ্ধতা উত্তরণে গৃহীত পদক্ষেপ ও সর্বশেষ পরিস্থিতি

১০

সেনাবাহিনী  আধুনিকায়ন

 

ক।   খসড়া জাতীয় প্রতিরক্ষানীতি অনুমোদনের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে ।

*খ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সদয় সম্মতি সাপেক্ষে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ফোর্সেস গোল ২০৩০ নির্ধারণ, পুণঃগঠন ও আধুনিকায়নের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে ।

 

 

 

 

গ। ২০ সদস্য বিশিষ্ট চীনা বিশেষজ্ঞ কর্তৃক গত ১৬ নভেম্বর ২০০৯ তারিখ হতে ২২ মে  ২০১০ তারিখ পর্যন্ত ৯০২ সেন্ট্রাল ওয়ার্কশপ, রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে ১৮ ´৩৭ মিঃ মিঃ এডি গান টাইপ-৭৪ মেরামতকার্য সম্পন্ন করে। মেরামতকার্য সমাপনান্তে ৫ এডি রেজিমেন্ট আর্টিলারির তত্ত্ববধানে গত ০২ মে ২০১০ তারিখ হতে ১০ মে ২০১০ তারিখ পর্যন্ত চীনা বিশেষজ্ঞ দলের উপস্থিতিতে ফৌজদারহাট এডি ফায়ারিং রেঞ্জে উক্ত গানসমুহের টেষ্ট ফায়ারিং সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা হয় এবং প্রাথমিকভাবে গানসমুহ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক গ্রহণ করা হয় ।

 

ঘ। গত ২৯ জুলাই ২০১০ তারিখে মিরপুর সেনানিবাসে ১৯ জন অফিসার, ১১ জন জেসিও এবং ৩৭৮ জন অন্যান্য পদবীর সমন্বয়ে ৩৭ এডি রেজিমেন্ট আর্টিলারি নামে একটি নতুন ইউনিট গঠন করা হয় ।

ঙ। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এসপি রেজিমেন্টের জন্য এসপি গান ক্রয়ের নিমিত্তে ০৩টি মডেল প্রমিতকরণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বর্তমানে উক্ত ০৩টি মডেলের উৎপাদনকৃত দেশের ফ্যাক্টরী রাইট (চায়না, সার্বিয়া এবং রোমানিয়া) পরিদর্শনের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে ।

 

 

 

 

চ। সিএডি কর্তৃক অত্যাধুনিক অ্যামিউনিশন ল্যাব তৈরীর কার্যক্রম অব্যাহত আছে । এর ফলে প্রচলিত গোলাবারুদের সঠিকমত নির্ণয় এবং প্রযুক্তিগত বিভিন্ন ধরনের কারিগরী তথ্যাদি সঠিকভাবে নির্ণয় করা সম্ভব হবে । এর মাধ্যমে প্রচলিত গোলাবারুদের মান, আয়ুস্কাল ও যথাযথভাবে কার্যক্ষমতা নির্নয় করা সম্ভব হবে । পাশাপাশি সস্ত্রাসীদের ব্যবহ্নত অগ্রচলিত গোলাবারুদ এর কারিগরী তথ্যদি উদ্ধার করে তদন্ত কাজে সহায়তা প্রদান করা সহজতর হবে ।

 

ছ। সম্প্রতি সেনাবাহিনীর অর্ডন্যান্স পরিদপ্তর কর্তৃক স্থানীয়ভাবে উদ্ভাবিত IED Transporter একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ । এর ফলে অত্যান্ত সংবেদনশীল অগ্রচলিত গোলাবারুদ নিরাপদে ধ্বংস করা সম্ভব হচ্ছে । ইতোমধ্যে বগুড়া শহরে জনাকীর্ন এলাকায় সদর থানায় রক্ষিত সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে উদ্ধারকৃত বিপদজনক গোলাবারুদ অত্যন্ত নিরাপত্তার সাথে সুবিধাজনক স্থানে বহন করে ধ্বংস করা সম্ভব হয়েছে । দেশের সার্বিক নিরাপত্তায় এটি একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন ।

 

 

দেশ ও জনগনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষে প্রতিরক্ষা নীতিতে প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা অন্তর্ভুক্ত হয়েছে ।

 

বিশ্বের আধুনিক সেনাবাহিনীর অনুকরণে নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উন্নততর হচ্ছে ।

 

’’

 

 

 

’’

 

 

’’

 

 

 

বিশ্বের আধুনিক সেনাবাহিনীর অনুকরণে নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উন্নততর হচ্ছে ।

 

 

 

’’

 

 

 

 

 

’’

 

 

 

-

 

 

* বাজেট ঘাটতির কারনে সেনাবাহিনীর সম্প্রসারণ পরিকল্পনা অনুযায়ী বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছেনা ।

 

 

 

-

 

 

* প্রাপ্ত বাজেটের মধ্যে সমন্বয় সাধন পুর্বক সেনাবাহিনী সম্প্রসারনের পরিকল্পনা ধাপে ধাপে   বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে এবং এ আলোকে নতুন কর্মপরিকল্পনা ফোর্সেস গোল-২০৩০ গ্রহনের প্রস্তাব করা হয়েছে।

 

 


 

ক্রমিক

প্রতিবেদন

মন্তব্য

রুপকল্প ২০১১ বাস্তবায়নে গৃহীত পদক্ষেপ

অর্জিত সাফল্য

সীমাবদ্ধতা (যদি থাকে)

সীমাবদ্ধতা উত্তরণে গৃহীত পদক্ষেপ ও সর্বশেষ পরিস্থিতি

 

জ।         বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে আধুনিকায়ন ও যুগপোযোগি করার লক্ষ্যে বিগত অর্থ বৎসরে (২০০৯-২০১০) ইউ এন সহ প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দকৃত বাজেটের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে ।

ঝ। Govt to Govt deal এর মাধ্যমে ১৪০টি এপিসি ক্রয়ের কার্যক্রম সম্পন্ন করা   হয়েছে ।

ঞ। নতুন মডেলের ট্যাংক প্রমিতকরণের পর ক্রয়ের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে ।

 

ট। Self Propelled Gun (SP) প্রতিমকরণের পর ক্রয়ের কার্যক্রম শুরু করা হচ্ছে ।

ঠ। জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ২টি হেলিকপ্টার ক্রয় প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ড। ৯০২ সেন্ট্রাল ওয়ার্কশপ ইএমই কর্তৃক ডিইএমই-এর তত্ত্বাবধানে কম্পিউটার এইডেড আর্মামেন্ট ইন্সপেকশন ডিভাইস (CAAID) উদ্ভাবন করা হয়েছে ।

ঢ। ০৭টি ইসুজু ৩ টন জিএস ট্রাক মেডেল এফএসএস৩৩জি (অরুনিমা বলিয়ান) ৬০১ কম্বইন্ড ওয়ার্কশপ ইএমই-এর তত্ত্বাবধানে লাইট রেকারে রুপান্তর করে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করা হয় ।

ণ। ০১টি ইসুজু ৩ টন জিএস ট্রাক মেডেল এফএসএস৩৩জি (অরুনিমা বলিয়ান) ৯০১ সেন্ট্রাল ওয়ার্কশপ ইএমই-এর তত্ত্বাবধানে ডাবল জ্যাকেট মিল্ক ট্রান্সপোর্টারে রুপান্তর করে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করা হয় ।

ত। ২৩টি ১০৫ মিঃ মিঃ আর আর ক্যারিয়ার জীপ বিজে-২১২ ৭০৩ মিডিয়াম ওয়ার্কশপ ইএমই কর্তৃক পেট্রোল ইঞ্জিন হতে ডিজেল ইঞ্জিনে রুপান্তরিত করে বৈদেশিক মুদ্রা সশ্রায় করা হয় ।

থ। ৬৬ টি ২.৫ টন পন্টুন/...........ভেহিক্যাল সিএ-৩০এ সেন্ট্রাল ওয়ার্কশপ ইএমই এর তত্তববধানে পেট্রোল ইঞ্জিন হতে ডিজেল ইঞ্জিনে রুপান্তর করে বৈদেশিক মুদ্রা সশ্রায় করা হয়।

বিশ্বের আধুনিক সেনাবাহিনীর অনুকরণে নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উন্নততর হচ্ছে ।

 

’’

 

’’

 

’’

 

’’

 

 

’’

 

 

’’

 

 

’’

 

 

’’

 

 

’’

 

 

-

 

 

-

 

-

 

-

 

-

 

 

-

 

 

-

 

 

-

 

 

 

-

 

 

-

 

-

 

 

-

 

-

 

-

 

-

 

 

-

 

 

-

 

 

-

 

 

 

-

 

 

-

 


 

 

ক্রমিক

প্রতিবেদন

মমতব্য

রুপকল্প ২০১১ বাস্তবায়নে গৃহীত পদক্ষেপ

অর্জিত সাফল্য

সীমাবদ্ধতা (যদি থাকে)

সীমাবদ্ধতা উত্তরণে গৃহীত পদক্ষেপ ও সর্বশেষ পরিস্থিতি

১১।

ডিফেন্স অফিসার্স হাউজিং স্কিম (ডিওএইচএস)

ক। মিরপুর ডিওএইচএস এর তৃতীয় পর্বের বরাদ্দের কার্যক্রম চলমান । গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ২৯ তারিখে বিডিআর এ শহীদ অফিসারদের পরিবারবর্গকে আবাসনের জন্য এই ধাপে প্লট/ফ্ল্যাট বরাদ্দ করা হবে। অতিশীঘ্রই লটারীর কার্যক্রম শেষে সংশ্লিষ্ট অফিসারদের নামীয় তালিকা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করা হবে ।

খ। সাভার সেনানিবাসে ডিওএইচএস বাস্তবায়নের জন্য নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে । জমির শ্রেণী পরিবর্তন এবং ডিওএইচএস এর অনুমোদনের জন্য অতিশীঘ্রই পর্ষদ বিবরণীসহ যাবতীয় কাগজপত্রাদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হবে । এর ফলে ৪২৩ জন সামরিক ও বেসামরিক অফিসার প্লট প্রাপ্ত হবেন।

 

আবাসন সমস্যার সহজলভ্য সমাধান হলে সেনা অফিসারগনের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি জীবন মান উন্নত  হবে।

 

-

 

-

 

১২।

পুর্ত ও প্রকৌশলী কার্যক্রম

 

এয়ারপোর্ট রোড-মিরপুর সেনানিবাস সংযোগ সড়ক

৬.৩ কিঃমিঃ

বেগুনবাড়ী খালসহ হাতিরঝিল এলাকা সমন্বিত উন্নয়ন

১১ কিঃ মিঃ

মিরপুর-এয়ার পোর্ট রোড ফ্লাইওভার এবং বনানী রেল ক্রসিং এ ওভারপাস নির্মাণ প্রকল্প

১৪৮৫ মিটার

৬৫৭.৫ মিটার

কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়ক (ইনানী- শালখালী) ২য় পর্ব

৮০ কিঃ মিঃ

চিম্বুক-থানচি সড়ক

৫৩.৫০ কিঃ মিঃ

রাংগামাটি (ঘাগড়া)-চন্দ্রঘোনা-বাঙ্গালহালিয়া-বান্দরবান সড়ক

৫৮.৯২ কিঃ মিঃ

বাঙ্গালহালিয়া-রাজস্থলী সড়ক

২১ কিঃ মিঃ

বাঘাইহাট-মাসালং-সাজেক সড়ক

৩৬ কিঃ মিঃ

দীঘিনালা-ছোটমেরুং-চংগাছড়ি-লংগদু সড়ক

৪০ কিঃ মিঃ

খাগড়াছড়ি-দিঘিনালা-বাঘাইহাট সড়ক

৩২.৮ কিঃ মিঃ

চট্টগ্রাম-হাটহাজারী-রাঙ্গামাটি সড়ক

৩৭ কিঃ মিঃ

বান্দরবান-চিম্বুক সড়ক প্রকল্প

২৩ কিঃ মিঃ

চিম্বুক ওয়াই জংশন-রুমা সড়ক প্রকল্প

২৯ কিঃ মিঃ

রুমা ব্রীজ প্রকল্প

২১৭.১৫ মিটার

 

 

৯৫.০৩%

১৯.২১%

১২.৩৪%

 

 

৪০.১২%

৯৪%

৫১.৭৭%

৫৯.৬৯%

৯৭.২২%

৯১%

৭৯.৩২%

৯৬.২২%

৭.২৩%

৮৯.২০%

১১%

 

 

 

 

 

 

দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে সেনাবাহিনীর সক্রিয় অংশগ্রহন ।

১৩।

স্বাস্থ্য খাত

 

ক। মোট ৮১৫০.৮৭ লক্ষ (সংশোধিত) টাকায় অনুমোদিত ‘‘সি এম এইচ ঢাকা সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন করণ’’ শীর্ষক প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।

 

খ। মোট ২২৬১৬.৪৬ লক্ষ (সংশোধিত) টাকায় অনুমোদিত ‘‘৫০০ শয্যা বিশিষ্ট কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল স্থাপন’’ শীর্ষক প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।

৯০.১৪%

 

 

৪৬.২৩%

 

 

সেনাসদস্যদের চিকিৎসা সেবার মান উন্নয়নে সহায়তা করবে ।

 

 

ক্রমিক

প্রতিবেদন

মমতব্য

রুপকল্প ২০১১ বাস্তবায়নে গৃহীত পদক্ষেপ

অর্জিত সাফল্য

সীমাবদ্ধতা (যদি থাকে)

সীমাবদ্ধতা উত্তরণে গৃহীত পদক্ষেপ ও সর্বশেষ পরিস্থিতি

১৪

বিবিধ কার্যক্রম সমুহ

 

ক।  বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সদস্যদের রেশন স্কেল বৃদ্ধি করে নৌ ও বিমান বাহিনীর সদস্যদের সমপর্যায় করতঃ এসআরএস-১৯৮৮ সংশোধনী বাংলাদেশ গেজেট এস আর ও নং ১১-আইন/২০১০ তারিখ ১১ জানুয়ারি ২০১০ এ কপি এসটি পরিদপ্তর পত্র নং ৪৫০১/১/এসটি-১ তারিখ ১৩ জানুয়ারি ২০১০ এ মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সকলের নিকট প্রেরণ করেছে ।

খ।  সেনাবাহিনীর জেসিও এবং অন্যান্য পদবীর সৈনিকদের এলপিআর ০৪ মাস হতে ০৬ মাসে উন্নীতকরণ করতঃ বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যা তারিখ ২৩ জুন ২০১০ এর মাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ করা হয়েছে ।

গ।   সেনাবাহিনীর মহিলা অফিসারদের মৃত্যুর পর পারিবারিক পেনশন প্রপ্যতার ক্ষেত্রে Pension Regulations for the Army, ১৯৪০ (Part-II) সংশোধন সংক্রান্ত গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যা তারিখ ২৫ মে ২০০৯ এ মাধ্যমে সংশোধন করা হয়েছে।

 

ঘ।  সার্জেন্ট হতে অনারারী ওয়ারেন্ট অফিসার পদে পদোন্নতি প্রাপ্তদের ক্ষেত্রে স্পেশাল পেনশনের হার বৃদ্ধি করা হয়েছে। উক্ত স্পেশাল পেনশনের হার টাকা ১০/- হতে টাকা ৫০/- এ বৃদ্ধি করা হয়েছে  যা জেএসআই ৩/২০০৯ এর আলোকে ০৬ জানুয়ারী ২০১০ তারিখে সংশ্লিষ্ট সকলকে অবহিত করা হয়েছে ।

 

ঙ।  সিএমএইচের রোগীদের বিদ্যমান ৫টি হসপিটাল ডায়েটের পরিবর্তে ৯টি ডায়েট করার জন্য এসআরএস-১৯৮৮, রুলস-২, টেবিল ২ হতে ৫ সংশোধন  এর জন্য বাংলাদেশ গেজেট এস আর ও নং ৮১-আইন/২০১০ তারিখ ১৫ মার্চ ২০১০ এর কপি পিপিএন্ডএ পরিদপ্তর এল এম নং ৩৮৮০/৪৮/বেভাহি-৪/২ তারিখ ০৪ এপ্রিল ২০১০ এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট পরিদপ্তরে প্রেরণ করা হয়েছে।

 

 

 

 



সেনাবাহিনীর সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে বিবিধ সংস্কার কার্যক্রমের উদ্যেগ গ্রহন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে কোন কোন প্রকল্প বাস্তবায়ন হওয়ায় এর সুফল সেনাসদস্যগন ভোগ করছে এবং কোন কোন প্রকল্প   বাস্তবায়নের জন্য প্রক্রিয়াধীন  রয়েছে ।

 

 

-

 

 

 

 

-

 

 

 

-

 

 

 

-

 

 

 

-

 

 

-

 

 

 

 

-

 

 

 

-

 

 

 

-

 

 

 

-

 

 

 

 

 

 


 

 

 

 

ক্রমিক

প্রতিবেদন

মন্তব্য

রুপকল্প ২০১১ বাস্তবায়নে গৃহীত পদক্ষেপ

অর্জিত সাফল্য

সীমাবদ্ধতা (যদি থাকে)

সীমাবদ্ধতা উত্তরণে গৃহীত পদক্ষেপ ও সর্বশেষ পরিস্থিতি

 

চ। উন্নত চিকিৎসার জন্য এক এরিয়ার CMH হতে অন্য এরিয়ার CMH এ হস্তান্তরের জন্য অসুস্থ্য সেনাসদস্যদের এ্যাম্বুলেন্স কার ব্যবহারের জন্য এআর(আর) ৫৩৬ সংশোধন এর জন্য  বাংলাদেশ গেজেট এস আর ও নং ৯৬-আইন/২০১০ তারিখ ০১ এপ্রিল ২০১০ এর কপি পিপিএন্ডএ পরিদপ্তর পত্র  নং ৩৮৭৩/বি/নী/বেভাহি-৪ তারিখ ২৬ মে ২০১০ এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট পরিদপ্তরে প্রেরণ করা হয়েছে।

 

ছ।  আইভরি কোষ্টে National Support Element (NSE) হিসেবে গমনকৃত ৩৬ জন সেনাসদস্যদের ১ বছরের বৈদেশিক ভাতা দীর্ঘদিন (আনুমানিক ০২ বৎসর) অপরিশোধিত থাকার পর জটিলতা নিরসন করে উল্লেখিত অর্থ প্রদান এর জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় এর অনুমোদন সাপেক্ষে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক উল্লিখিত ৩৬ জন NSE সদস্যের বকেয়া বৈদেশিক ভাতা প্রদানের অনুমতি প্রদান করায়  উক্ত বকেয়া বৈদেশিক ভাতার পরিশোধাদেশ প্রদান করা হয়েছে।

 

জ।  অফিসারগন সাত বৎসর অন্তর অন্তর সর্বোচ্চ চারটি নবায়ন আউটফিট ভাতা প্রাপ্য । উক্ত ভাতা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ে উপনিমিত্ত বিলের মাধ্যমে চাহিদা প্রেরণের নিয়ম প্রচলিত ছিল। উল্লেখ্য যে, সাত বৎসর একটি দীর্ঘ সময়। বিভিন্ন কর্মব্যস্তার কারণে অনেক সময় অফিসারই যথাসময়ে উক্ত বিল দাবী করতে পারেনা ফলে অফিসারগণ আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচেছন । উক্ত অসুবিধা দুরীকরনার্থে উপনিমিত্ত বিলের পরিবর্তে এফসি কর্তৃক সরাসরি বিল পাশের বিষয়টি সহজতর করার জন্য অত্র পরিদপ্তর পত্র নং ৩৭০০/আরসি/৪/পিপিএন্ডএ-১ তারিখ ২২ অক্টোবর ২০০৯ এর মাধ্যমে নীতিমালা জারী করা হয় ।

 

ঝ।  অফিসার, জেসিও/ওআর এবং বেসামরিক ব্যক্তিদের যথাক্রমে ডিএসওপি ফান্ড, ডিএসপি ফান্ড এবং জিপি ফান্ডের হিসাব বিবরণী ফরমে উল্লেখিত সুদ' শব্দটির স্থলে লভ্যাংশ' (নির্দিষ্ট হারে) শব্দ সংযোজনের জন্য প্রতিরক্ষা মন্ত্র্রণালয় হতে অনুমোদন গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে এফসি সমুহ কর্তৃক সংশ্লিষ্ট ফরমে উল্লেখিত সুদ' এর স্থলেলভ্যাংশ' (নির্দিষ্ট হারে) শব্দ ব্যবহার করা হচ্ছে ।

 

ঞ।  ইতিপুর্বে এ্যাডজুটেন্ট/কোয়ার্টার মাষ্টার ইত্যাদি নিযুক্তিতে কেবলমাত্র ক্যাপ্টেন পদবীর অফিসারগণ দায়িত্ব পালন করলেই স্টাফ/চার্জ বেতন পেতেন। কিন্তু ক্যাপ্টেন পদবীর স্থলে লেঃ/২লেঃ পদবীর অফিসারগণ উক্ত দায়িত্ব পালন করলে স্টাফ/চার্জ বেতন পেতেন না। এ বিষয়ে এফসির সাথে যোগাযোগ/ পত্রালাপের পর বর্তমানে লেঃ/২ লেঃ পদবীর অফিসারগণ এ্যাডজুটেন্ট/কোয়ার্টার মাষ্টার ইত্যাদি নিযুক্তিতে দায়িত্ব পালন করে স্টাফ/চার্জ বেতন  পাচ্ছেন । এ ব্যাপারে পে এন্ড এলাউন্স রেগুলেশন ভলিউম-১ এর বিধি ৩২ এ নোট -৪ এর উপর অত্র পরিদপ্তর পত্র নং ৩৭০১/আরসি/১/পিপিএন্ডএ-১ তারিখ ১৪ ডিসেম্বর ২০০৯ এবং এফসি(আর্মি) পে-১ পত্র নং এফসি(আর্মি)পে-১/কো-অর্ড/৪২(২)/সিদ্ধানত/১৮৯ তারিখ ১৮ জানুয়ারি ২০১০ এর মাধ্যমে ব্যাখ্যা প্রদানের প্রেক্ষিতে উক্ত বেতন প্রদান করা হচ্ছে ।

 

 

 

 

 

 

 

সেনাবাহিনীর সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে বিবিধ সংস্কার কার্যক্রমের উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে কোন কোন প্রকল্প বাস্তবায়ন হওয়ায় এর সুফল সেনাসদস্যগন ভোগ করছে এবং কোন কোন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রক্রিয়াধীন  রয়েছে ।

 

 

-

 

 

 

-

 

 

 

 

 

-

 

 

 

 

 

-

 

 

 

 

 

 

-

 

 

-

 

 

 

-

 

 

 

 

 

-

 

 

 

 

 

-

 

 

 

 

 

 

-

 

ক -১৬


 

ক্রমিক

প্রতিবেদন

মন্তব্য

রুপকল্প ২০১১ বাস্তবায়নে গৃহীত পদক্ষেপ

অর্জিত সাফল্য

সীমাবদ্ধতা (যদি থাকে)